যে আফসোস রয়েই যাবে – আমি কি তোমাদের জানিয়ে দেবো না?

নবিজি এমন কী বিশেষ কথা আমাদের জন্য বলে গিয়েছেন, এমন কী গুরুত্বপূর্ণ আমলের খবর আমাদের দিয়েছেন? 

কারও কোনো প্রশ্ন করা ছাড়াই নিজ আগ্রহে তিনি কোন কোন বিষয়গুলো আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন—চলুন জীবনে একবার হলেও সেগুলো জেনে নিই।

ডেলিভারি চার্জ ফ্রি

(সীমিত সময়ের জন্য)

 

নবি-রাসূলগণ যেই দৃষ্টি নিয়ে দুনিয়াকে দেখতেন

তা সবচেয়ে বেশি যারা মনে প্রাণে আত্মস্থ এবং উপলব্ধি করেছিলেন তারা হচ্ছেন সাহাবা রাদিয়াল্লাহু আনহুম আজমাইন। আমাদের প্রিয় নবি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেই গিয়েছেন উম্মতের সেরা প্রজন্ম হচ্ছেন নবির সাহাবারা। উম্মতের সেরা প্রজন্ম হিসেবে, কী এমন দৃষ্টিভঙ্গি তারা লালন করতেন যে দুনিয়াতে থাকা অবস্থায়ই আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছিলেন। 

গ্যারান্টি দিয়ে বলছি আপনার এই টাকা বিফলে যাবে না ইনশাআল্লাহ। কারণ বইগুলোতে থাকা প্রত্যেকটি গল্প নেওয়া হয়েছে কুরআন, হাদীস ও সীরাতের বিশুদ্ধ কিতাব থেকে।

 

যদি জানতে চান কেমন ছিলো রাসুলের চোখে দুনিয়া তবে এই প্যাকেজ টি আপনার জন্যই!

হয়তো আধুনিকতার ছোয়ায় আপনিও ভূলে বসছেন আমাদের দুনিয়ায় আসার মূল উদ্দেশ্য। সে কথা মাথায় রেখেই ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ) অর্থাৎ হাম্বলী মাযহাব এর জনক কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু লিপিব্ধ করেন।

তার অনুবাদ সমূহ হলোঃ রাসুলের চোখে দুনিয়া, সাহাবিদের চোখে দুনিয়া এবং তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া।

এই ১১৫০ বছর পূর্বের সহিহ কিতাবের বাংলা অনুবাদ গুলো এখন পাওয়া যাচ্ছে ২৫% ডিসকাউন্ট এ!

 

সাথে থাকছে সম্পূর্ণ ফ্রি হোম ডেলিভারী!

বই টি ক্রয় করার আগেই পরে দেখুন

যে সকল অজানা বিষয়গুলো জানতে প্যাকেজ টি কিনবেনঃ

আমি কি তোমাদের জানিয়ে দেবো না?

শাইখ আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ
প্রায় দেড় হাজার বছর আগে প্রিয় নবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ভালোবেসে কোনো এক মজলিসে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেছেন। সেই মজলিসে আমরা থাকতে পারিনি; কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম ছিলেন। তিনি সাহাবিদের মজলিসে বসে থাকতেন, সাহাবায়ে কেরাম প্রশ্ন করতেন আর আমাদের প্রিয় নবিজি উত্তর দিতেন।

আমি কি তোমাদের জানিয়ে দেবো না?

কখনো কখনো নবিজি নিজেই আগ্রহ সহকারে বলতেন, ‘আমি কি তোমাদেরকে সর্বোত্তম বিষয়টি জানিয়ে দেবো না?’ ‘আমি কি তোমাদেরকে নামাজ-রোযার চেয়েও উত্তম আমলের কথা বলে দেবো না?’

যে আফসোস রয়েই যাবে

শাইখ আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ
কিয়ামাত দিবস। বিচারকার্য শুরু হয়েছে। বিচারক আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিজেই। অস্থিরচিত্তে বিচারের জন্য অপেক্ষা করছে পুরো মানবজাতি। সূর্য তার পুরো তেজ ঢেলে দিচ্ছে। অসহ্য গরমে সবার অবস্থা বেগতিক। না, সবার নয়। কিছু মানুষ আল্লাহর অনুগ্রহে তাঁর আরশের ছায়ায় স্থান পেয়েছেন। বাদবাকি প্রায় সবার অবস্থা অবর্ণনীয়।

যে আফসোস রয়েই যাবে

কিয়ামাতের বিভীষিকাময় সেই দিনে মানবজাতির বড় একটা অংশ হাহুতাশ করবে, আফসোস করবে। দুনিয়াতে তারা আল্লাহর সাথে শিরক করেছিল, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করেছিল, শয়তানকে নিজেদের অভিভাবক বানিয়ে নিয়েছিল। দুনিয়ায় আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত থাকার পরিণতি দেখতে পেয়ে বিচার দিবসে তারা বলতে থাকবে, “হায় আফসোস হায় আফসোস! আজ আমাদের কোনো অভিভাবক নেই!”

দুনিয়ার ব্যাপারে ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি কী হওয়া দরকার, শাইখ আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ সে বিষয়টা মাথায় রেখে বইটি প্রকাশ করেছেন ।

এমন কী গুরুত্বপূর্ণ আমলের খবর আমাদের দিয়েছেন, কারও কোনো প্রশ্ন করা ছাড়াই নিজ আগ্রহে তিনি কোন কোন বিষয়গুলো আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন—চলুন জীবনে একবার হলেও সেগুলো জেনে নিই।

কিয়ামাতের ভয়াবহ সেই দিনে মানুষ এরকম আরও অনেক আফসোস করবে। মানুষের সে আফসোসগুলো আল্লাহ কুরআনে বলে দিয়েছেন।

নবিজি এমন কী বিশেষ কথা আমাদের জন্য বলে গিয়েছেন ? জানতে হলে এখনই অর্ডার করুন। অর্ডার করতে আপনার নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার লিখে অর্ডার করুনঃ

Billing details

Bangladesh

Your order

Product Subtotal
আমি কি তোমাদের জানিয়ে দেবো না? – যে আফসোস রয়েই যাবে  × 1 404.00
Subtotal 404.00
Shipping
Total 404.00
  • বই হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধ করুন

Your personal data will be used to process your order, support your experience throughout this website, and for other purposes described in our privacy policy.

আমাদের ঠিকানা: বাংলাবাজার, ঢাকা

হোয়াটসঅ্যাপ: 01406500100